Skip to main content
২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা
২০০৮
- অসংগঠিত নির্বাচন ও ঐক্যবদ্ধতা: ২০০৮ সালে বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়া এবং সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ক্ষমতায় থাকার পর, আওয়ামী লীগ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জনগণের প্রতি প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে নতুনভাবে ক্ষমতায় ফিরতে প্রস্তুত হয়।
- মহাসমাবেশে আকাঙ্ক্ষা: ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য পূর্ণ প্রস্তুতি নেয়, এবং দলটি ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে ২০০১ সালের পর পুনরায় ক্ষমতায় আসে।
২০০৯
- শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে: ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন, যা আওয়ামী লীগের জন্য এক নতুন যাত্রার সূচনা।
২০১০
- গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা: আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রকল্পের সূচনা হয়, এবং গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য কাজ শুরু হয়।
২০১১
- বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের ভারত সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়। মৈত্রী, বাণিজ্য, পানি বণ্টন এবং সীমান্ত সমস্যা সমাধানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হয়।
২০১২
- গণজাগরণ মঞ্চ: ২০১২ সালের মধ্যে দেশে সাঈদীসহ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি নিয়ে গণজাগরণ মঞ্চ গঠিত হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের এই পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন পাওয়া যায়, তবে বিরোধীদের সমালোচনাও উঠে।
২০১৩
- ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধী বিচারের প্রক্রিয়া: ২০১৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল দ্বারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত ছিল।
২০১৪
- গণতন্ত্র দিবস ও নির্বাচন: ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন, যেখানে বিরোধী দলগুলির অংশগ্রহণ না থাকায় বিতর্কিত হয়, কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচিত হয় এবং ক্ষমতায় থাকে।
২০১৫
- বিএনপির হরতাল ও সহিংসতা: বিরোধী দলের পক্ষ থেকে হরতাল এবং সহিংসতার প্রতিবাদে আওয়ামী লীগ সরকার তৎপরতা দেখায়।
২০১৬
- ধর্মীয় উগ্রবাদ প্রতিরোধ: ২০১৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশে উগ্রবাদী হামলা বৃদ্ধি পায়, এবং আওয়ামী লীগ সরকার জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
২০১৭
- রোহিঙ্গা সংকট: ২০১৭ সালের মধ্যে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়, যা আওয়ামী লীগ সরকারের জন্য একটি বিশাল মানবিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।
২০১৮
- জাতীয় নির্বাচন: ২০১৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আবারও ব্যাপক জয় পায়। শেখ হাসিনা পুনরায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
২০১৯
- জাতীয় ঐক্য ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক: আওয়ামী লীগ সরকারের লক্ষ্য ছিল আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি। তবে ২০১৯ সালে জাতীয় সুরক্ষা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক পরিবেশে কিছু চ্যালেঞ্জ উঠে।
২০২০
- কোভিড-১৯ মহামারী: ২০২০ সালে বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ সরকার কোভিড-১৯ মহামারী মোকাবিলায় নানা পদক্ষেপ নেয়, খাদ্য সহায়তা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে চেষ্টা করে।
২০২১
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী: ২০২১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্ণ করে। এ উপলক্ষে আওয়ামী লীগ নানা অনুষ্ঠান এবং সমাবেশ আয়োজন করে।
২০২২
- করোনার পর পুনরুদ্ধার: করোনাভাইরাস মহামারী পরবর্তী সময়ে দেশের অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে আওয়ামী লীগ সরকার নানা উদ্যোগ নেয়, বিশেষ করে উন্নত স্বাস্থ্য সেবা ও দারিদ্র্য বিমোচনের দিকে নজর দেয়।
২০২৩
- সাধারণ নির্বাচন পূর্ব সংকট: ২০২৩ সালের শুরুতে নির্বাচনের আগে বিরোধী দলের আন্দোলন, একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী, এবং রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। তবে আওয়ামী লীগ তার অবস্থান শক্তিশালী রাখতে থাকে।
২০২৪
- এগিয়ে যাওয়ার দিশা: ২০২৪ সালের নির্বাচন সামনে রেখে আওয়ামী লীগ সরকার তার উন্নয়ন প্রকল্প, জনগণের সমর্থন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিষয়ে ব্যাপক প্রচারণা চালায়।
Comments
Post a Comment